২০১৮ সালে মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা 🚀 মঙ্গলগ্রহের ভূপৃষ্ঠে ইনসাইট ল্যান্ডার পাঠান, যা মঙ্গলগ্রহের ভূমিকম্প (মার্সকোয়েক) রেকর্ড করার জন্য সিসমোমিটার ব্যবহার করে। 📡 পিএনএএস-এর বরাতে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত চার বছরে ইনসাইট ল্যান্ডারের সংগ্রহ করা সিসমিক ডাটার মাধ্যমে মঙ্গলগ্রহের গতি এবং অভ্যন্তরে তরল পানির অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। 🌊


🔍 এই অনুসন্ধানে প্রথমবারের মতো মঙ্গলগ্রহের পাথুরে ভূপৃষ্ঠের নিচে তরল পানির অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যদিও এর আগেই মঙ্গলের মেরু অঞ্চলে বরফ এবং বায়ুমণ্ডলে বাষ্পাকারে পানির অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল, তবে সেখানে তরল পানির প্রমাণ ছিল না। 💧 তরল পানি ছাড়া কোনো স্থানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব না, এ ধারণা থেকেই বিজ্ঞানীরা মঙ্গলগ্রহে তরল পানির সন্ধানে অগ্রসর হন। 🌱


🔬 ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল মাঙ্গা, যিনি মঙ্গলে তরল পানির অস্তিত্ব অনুসন্ধানে অন্যতম গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন, জানান, মঙ্গলগ্রহের ভূত্বকের প্রায় ৬ থেকে ১২ মাইল গভীরে তরল পানির আধার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই আবিষ্কারটি মঙ্গলগ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য অস্তিত্ব অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কারণ তরল পানি যেখানে রয়েছে, সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। 🌌

❗ তবে, অধ্যাপক মাঙ্গা সতর্ক করে বলেন, মঙ্গলগ্রহ এখনও মানুষের বসবাসের উপযোগী নয়। 🌋 মঙ্গলের পাথুরে মাটি পৃথিবীর মতো সহজেই খনন করা যায় না, যা মঙ্গলগ্রহে বসবাসের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তবে এই আবিষ্কার মঙ্গলে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 🌠


View in Facebook: https://www.facebook.com/share/p/eNDJXJVpAkMbJ3Zq/